ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভের সময় দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভের সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় বুধবার (৯ এপ্রিল) সকালে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এসব ঘটনায় ১০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে খুলনায় ৩৩ জন, সিলেটে ১৯ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, গাজীপুরে ৪ জন, নারায়ণগঞ্জে ৪ জন, কুমিল্লায় ৩ জন এবং কক্সবাজারে ৪ জন রয়েছে।
গাজায় নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলার প্রতিবাদে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশের জেলায় জেলায় বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও ধর্মঘট পালন করা হয়।
ওইদিন সকাল থেকে সারা দেশের জেলা-উপজেলা শহর ছিল প্রতিবাদমুখর। এসব বিক্ষোভের মধেই কিছু মানুষ ফাস্ট ফুড চেইন কেএফসি, পিৎজা হাট, বাটার মত আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের বিক্রয় কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। পাশাপাশি কোমল পানীয় কোকাকোলা, সেভেন আপ রাখায় বিভিন্ন দোকান ও রেস্তোরাঁতেও হামলা করা হয়।
মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, পুলিশ বিক্ষোভ চলাকালে ধারণকরা ভিডিও পর্যালোচনা করছে, যাতে জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা যায়। অভিযানে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এছাড়া, তদন্তে সহায়তা করতে সাধারণ নাগরিকদের প্রতিও আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে। কারও কাছে যদি সংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য থাকে, তা পুলিশকে জানাতে অনুরোধ করা হয়।
