রাঙামাটি কাপ্তাই ৪নং ইউনিয়ন ৬নংওয়ার্ডে সুইডিশ মার্কেটের দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১০সেপ্টেম্বর) দিবাগত-রাতে শিল্প এলাকার পাশ্ববর্তী সুইডিশ মার্কেট আজাদ ষ্টোরে পিছনের দিক ভেঙে দোকানের মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যায়।
দোকান মালিক আজাদ জানান, সকালে দোকান খুলতে এসে দেখে মালামাল এলোমেলোভাবে পড়ে আছে। ক্যাশ বাক্সে রাখা টাকা ও দামি-দামি সিগারেট নিয়ে গেছে। খোয়া যাওয়া দোকানের জিনিসপত্রের মূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা।
তিনি আরও জানান, গত কয়েক সপ্তাহ আগে শিল্প এলাকার মনসুর নামে এক ঠিকাদারের বাসায় চুরি হয় এবং চোর চক্র ঘরের টাকা, স্বর্ণালংকার, ল্যাপটপ, সিসিক্যামেরার কার্ড, এলইডি টিভিসহ ফ্রিজে রাখা ৭ কেজি গরুর গোস্ত চুরি করে নিয়ে যায়। কিছু দিন পরে চুরি করে নিয়ে যাওয়া কিছু মালামাল ফেরত পেয়েছেন বলে মনসুর জানান।
ঘর চুরি ও মালামাল ফেরত দেয়ারপর হতে ঠিকাদার মনসুর রহস্যজনক কারনে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান। মনসুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত চোর চক্র উদঘাটন হবে বলে এলাকাবাসী উল্লেখ করেন।
কাপ্তাই উপজেলায় সর্বত্র চোরের হিড়িক ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্যাসের চুলাসহ হাড়িপাতিল চুরি করছে। একের পর এক চুরি হওয়ার ফলে এলাকার লোকজন আতংকে দিন কাটছে।
কাপ্তাই ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান জানান, তাঁর বাসার পাশে পানির টাংকির ঢাকনা চোরেরা চুরি করে নিয়ে যায়। এদের ধরার জন্য একটি কমিটি করার কথা জানান।
কাপ্তাই ৪নং ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ জানান, একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটেছে। তাঁর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে পাশে থাকা এক পরিবারের বাসা হতে গ্যাসের চুলা চোরচক্র নিয়ে গেছে বলে জানান। এদের দমন করার জন্য সেনাবাহিনীর ও পুলিশসহ যৌথবাহিনী অভিযানের কথা জানান।
কাপ্তাই পুলিশ ফাঁড়ির সেকেন্ড অফিসার এএসআাই মামুন মিয়া জানান, আমরা কিছুদিন আগেও ৫/৬জন চোরকে ধরে রাঙামাটি আদালতে সোপর্দ করেছি।কিভাবে আবার দ্রুত জামিনে আসল আমরা তা জানিনা। তবে আজাদের দোকানে চুরির ঘটনা শুনে কাপ্তাই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ দোস্ত মোহাম্মদ স্যারসহ আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজ খবর নিয়েছি।
এলাকার ৭০ বছর উর্ধ্বে বৃদ্ধ আবু ইউসুফ জানান,আমরা চোরের কারনে আতংকে আছি। তিনি এসকল বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
