দৈনিন্দিন জীবনে আমাদের ফোন ছাড়া চলা অসম্বভ । ফোনের যেমন ক্ষতিকর দিক আছে সেক্ষেত্রে ফোনের আবার ভালো দিক ও আছে যেগুলো দৈনিন্দিন জীবনে আমাদের অনেক কাজে লাগতে পারে । তেমনি কয়েকটি ফোনের সেটিংস বাঁচাতে পারে আপনার জীবন ।
তবে সেক্ষেত্রে আপনার মোবাইলের জিপিএস চালু রাখা এবং ডাটা চালু রাখা অবশ্যয় জরুরি।
ফোনের “Safety & Emergency” এ অপশনে গেলেই পেয়ে যাবেন অসংখ্য সেটিংস পেয়ে যাবেন সেখানের কিছু সেটিংস বাঁচাতে পারে আপনার জীবন তা হলোঃ
১। মেডিকেল ইনফরমেশন: এই মেডিকেল ইনফরমেশনে আপনার জীবনের সবকিছু যদি লিখে রাখেন সেক্ষেত্রে আপনার পথে প্রান্তরে কোন সমস্যা বা কোন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা হলেও মানুষ মোবাইল লক থাকা অবস্থায় ও আপনার ইনফরমেশন গুলো দেখতে পাবে।
২। ইমারেজেন্সি কন্টাক্ট: এই ইমারেজেন্সি নম্বরে যাদের নম্বর আপনি সেইভ করে দিবেন যদি কোন ইমারজেন্সি তে কোন আপনার ফোনের লক না খুলেই আপনার সেইভ করা কন্টাক্ট নম্বরেই যোগাযোগ করতে পারবেন।
৩।ইমারজেন্সি সোর্স: ইমারজেন্সি সোস এর মাধ্যমে আপনি চাইলে ৫ বার পাওয়ার বাটন ক্লিক করে ধরে রাখলেই ইমারজেন্সি সার্ভিস কন্টাক্ট লিস্টে কল যাবে সাথে ভিডিও রেকর্ডিং চালু হবে এবং তা ইমারজেন্সি কন্টাক্ট এর সাথে শেয়ার হয়ে যাবে যেই ভিডিও টা ইমারজেন্সি কন্টাক্টে সেইভ করা মানুষটিও দেখতে পারবে।
৪।ক্রাইসিস এলার্ট: ব্যক্তিগত সুরক্ষা আপনার ডিভাইসের অবস্থান ব্যবহার করে আপনার এলাকার সংকট সম্পর্কে তথ্য খুঁজে বের করে, এমনকি অ্যাপটি বন্ধ থাকা অবস্থায় বা ব্যবহার না থাকা অবস্থায়ও।
মনে রাখবেন, ব্যক্তিগত সুরক্ষা আপনাকে সমস্ত পাবলিক জরুরি অবস্থা সম্পর্কে অবহিত নাও করতে পারে।
৫।ইমারজেন্সি লোকেশন সার্ভিস: যদি আপনার অঞ্চলে আপনার ডিভাইসে সম্পূরক জরুরি অবস্থান পরিষেবা সমর্থিত থাকে, তাহলে আপনি যখন কোনও জরুরি নম্বরে কল করেন বা টেক্সট করেন, তখন আপনার ডিভাইসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার অবস্থান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জরুরি প্রতিক্রিয়াকারীদের কাছে পাঠাতে পারে।
আরো সহজভাবে বললে , যখন আপনি কোনও জরুরি নম্বরে কল করেন বা টেক্সট করেন, তখন জরুরি অবস্থান পরিষেবা আপনার ডিভাইসের অবস্থান Google লোকেশন অ্যাকুরেসি সহ ব্যবহার করে আপনার ডিভাইসের জন্য সবচেয়ে সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করতে পারে, এমনকি যদি সেই সেটিংস বন্ধ থাকে। জরুরি অবস্থান পরিষেবা আপনার ডিভাইসের Wi-Fi সেটিংও চালু করতে পারে। যদি জরুরি অবস্থান পরিষেবা বন্ধ থাকে, তাহলে আপনার মোবাইল ক্যারিয়ার জরুরি কলের সময় আপনার ডিভাইসের অবস্থান পাঠাতে পারে।
৬।ভূমিকম্পের সর্তকতা: বর্তমানে যে হারে ভূমিকম্প হচ্ছে সেক্ষেত্রে সবারই উচিত সতর্ক থাকা। তারপর ও আপনি যদি ভূমি কম্পর্নের আগাম বার্তা বা সতর্কীকরন পেতে চান সেক্ষেত্রে যখন কাছাকাছি কোনও ভূমিকম্প শনাক্ত করা হয় আপনার অবস্থান থেকে প্রাথমিক আনুমানিক মাত্রা এবং দূরত্ব সহ আপনি একটি সতর্কতা পাবেন।
আপনার আনুমানিক অবস্থান ব্যবহার করে কাছাকাছি ৪.৫ এবং তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প সম্পর্কে তথ্য পাঠায়। এবং সেক্ষেত্রে মোবাইলের স্কিনে একটি এলার্ট চালু হবে এবং তা আপনার ফোনে পপ আপ শো হবে । অন্যান্য সমস্ত অবস্থান দ্বারা ভূমিকম্প শনাক্ত করা হয়।
মনে রাখবেন, সব এলাকায় ভূমিকম্পের সতর্কতা সমর্থিত নয় সব ভূমিকম্প শনাক্ত করা যায় না ।মাত্রা এবং কম্পনের তীব্রতার অনুমানে ত্রুটি থাকতে পারে।কম্পন শুরু হওয়ার আগে, সময় বা পরে আপনি একটি সতর্কতা পেতে পারেন।
৭।ড্রাইভিং সচেতন: আপনি যখন ড্রাইভিং এ ব্যস্ত থাকবেন সেক্ষত্রে আপনার মোবাইল অটো সাইলেন্ট হয়ে যাবে আবার যখন আপনি ড্রাইভিং থেকে নেমে যাবেন সেক্ষত্রে আপনার মোবাইল অটো সাইলেন্ট মুক্ত হয়ে যাবে ।
