back to top

[the_ad id="407"]

পুনরায় বাবরি মসজিদ নি’র্মা’ণে মানুষের ঢল,বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করছে সাধারণ মানুষ

ডেস্ক রিপোর্ট:

১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভাঙাকে ঘিরে গোটা ভারতে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তার ৩৩ বছর পর একই দিনে মসজিদটির পুনরায় নির্মাণকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সৃষ্টি হয়েছে চরম উত্তেজনা। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে। এই কর্মসূচিতে অনড় অবস্থান নিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক ও তৃণমূল থেকে সাময়িক বহিষ্কৃত নেতা হুমায়ুন কবীর।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠান উপলক্ষে ইতিমধ্যেই রেজিনগরে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে শুরু করেছেন। হুমায়ুন কবীর প্রায় ৪০ হাজার মানুষের খাওয়া-দাওয়ার বন্দোবস্ত করছেন। তাঁর দাবি, শনিবার মোরাদিঘির কাছে ২৫ বিঘা জমিতে প্রায় ৩ লাখ মানুষ সমবেত হবেন। এই কর্মসূচিতে শুধু স্থানীয় মানুষই নয়, বিভিন্ন রাজ্য থেকেও ধর্মীয় নেতারা অংশ নিতে চলেছেন। হুমায়ুন কবীর আরও জানিয়েছিলেন যে সৌদি আরব থেকেও ধর্মগুরুরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। বিশাল এই জনসমাগমকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়েও হুমায়ুন কবীর তৎপর। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে তিনি পুলিশের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের নির্ধারিত সভাস্থলে পৌঁছে হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের বলেন, মাত্র তিন কাঠা জায়গার ওপর এত বিরোধিতা সত্ত্বেও তাঁরা আজ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করছেন। তিনি জানান, ২৫ বিঘা জায়গার মধ্যে হাসপাতাল হবে, বিশ্ববিদ্যালয় হবে, পার্ক হবে। পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে যত কোটি টাকা লাগবে, মুর্শিদাবাদ, মালদা, উত্তর দিনাজপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি এবং দুই মেদিনীপুরের বহু মানুষ আর্থিক সহযোগিতা করবেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “রাজ্য সরকারের টাকায় আমি মসজিদ করব না। তাতে মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট হবে। এটা আমি কোনোভাবেই গ্রহণ করব না।”

এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনাও তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই কর্মসূচির জন্য তৃণমূল কংগ্রেস হুমায়ুন কবীরকে দল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে। এমনকি শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে রেজিনগর থানায় কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তবে এর আগেই তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যে, প্রস্তুতির কাজ পুরোদমে চলছে।

সর্বশেষ

আরও খবর >

- Advertisement -Newspaper WordPress Theme