চট্টগ্রাম মহানগরের ইপিজেড থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি মো. গিয়াস উদ্দিন (৪২) কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চাঁদগাঁও সিপিসি-৩ এর একটি চৌকস দল। বুধবার (২৩ অক্টোবর ২০২৫) দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা থানাধীন দোভাষী বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, মামলার এজাহার, এফআইআর ও অধিযাচন পাওয়ার পর থেকেই আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-৭ ধারাবাহিকভাবে নজরদারি, ছায়াতদন্ত ও গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোভাষী বাজারে অবস্থান নিশ্চিত করে র্যাব সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ভিকটিম রানু আক্তার (১৬) পিতা মো. ফোরকান (৩৭), গ্রামের বাড়ি আনোয়ারা উপজেলার গহিরা, হাড়িয়া পাড়া। আসামি গিয়াস উদ্দিন ভিকটিমের চাচা এবং পূর্বপরিচয়ের সুবাদে তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে চাকরির খোঁজে চট্টগ্রাম শহরে আসা রানুকে তিনি কৌশলে ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী পকেট গেইটের নাজিম বিল্ডিংয়ের ৪র্থ তলায় নিয়ে যান। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৯ থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনায় ভিকটিমের পরিবার ইপিজেড থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশি তদন্তের পাশাপাশি র্যাব অভিযান শুরু করে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর অবশেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে আসামি গিয়াস উদ্দিন।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র্যাব জানায়।
