back to top

[the_ad id="407"]

দি চিটাগাং কো-অপারেটিভ হাউজিংয়ের এজিএম স্থগিত

সম্পাদকের ক্ষমতা খর্ব করে সভাপতির নোটিশকে ‘বেআইনি’ বললেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আবাসন প্রতিষ্ঠান ‘দি চিটাগাং কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড’-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ঘিরে সৃষ্ট জটিলতা শেষ পর্যন্ত আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে সভাপতির একক সিদ্ধান্তে সভা ডাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করায় আগামী ১৬ মে শনিবার’র প্রস্তাবিত এজিএম স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত ১১ মে বিচারপতি বিশ্বদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি আব্দুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চ আদালতের একটি দ্বৈত বেঞ্চ রিট পিটিশন নম্বর ৬০১০/২০২৬-এর শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

রিট পিটিশনে অভিযোগ করা হয়, সমিতির উপ-আইন ১৫.২(১) এবং ১৬.৭(গ) ধারা অনুযায়ী এজিএম ডাকার একমাত্র আইনি এখতিয়ার নির্বাচিত সম্পাদক বা নির্বাহী কর্মকর্তার। অথচ সেই বিধান লঙ্ঘন করে সভাপতি একক সিদ্ধান্তে সভার নোটিশ জারি করেন। সমিতির নির্বাচিত সম্পাদক মুহাম্মদ সাইফুদ্দিনের দাবি, গত ৭৫ বছরের ইতিহাসে সম্পাদকের স্বাক্ষর ব্যতীত এজিএম ডাকার কোনো নজির নেই। সভাপতির এই পদক্ষেপকে আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন ও ‘স্বৈরাচারী’ আচরণ হিসেবে দেখছেন তিনি।

আদালতের এই নির্দেশনার ফলে গত ৩০ এপ্রিল দৈনিক পূর্বকোণ পত্রিকায় প্রকাশিত এজিএম বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা যেমন স্থগিত হয়েছে, তেমনি সমবায় অধিদপ্তরের গত ৪ মে’র একটি বিতর্কিত মেমোটিও অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ব্যারিস্টার সজল মল্লিক স্বাক্ষরিত লয়ার সার্টিফিকেটের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। ৪৪ ডিএলআর (এডি) ২১৯-এর আইনি নজির অনুযায়ী উচ্চ আদালতের এই স্থগিতাদেশ মেনে চলা পক্ষদ্বয়ের জন্য বাধ্যতামূলক।

আদালতের এই নিষেধাজ্ঞার ফলে আগামী ১৬ মে শনিবার দি চিটাগাং কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেডের প্রস্তাবিত এই সভায় সমবেত হওয়া বা কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করা এখন আইনত নিষিদ্ধ। এই স্থগিতাদেশের খবরে সাধারণ সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই একে গঠনতান্ত্রিক শাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় জয় হিসেবে দেখছেন। সমিতির সম্পাদক মুহাম্মদ সাইফুদ্দিন জানান, আদালতের আদেশের কপি দাপ্তরিকভাবে হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ

আরও খবর >

- Advertisement -Newspaper WordPress Theme