back to top

[the_ad id="407"]

ফুলবাড়িয়ায় খাল পুনঃখনন কাজের প্রায় ৫২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

হাবিব,ফুলবাড়িয়া

উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয়ের প্রচলিত প্রবণতার বিপরীতে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)। দবরদস্তা মলঙ্গি খাল ১০ কিলোমিটার পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করে সব ব্যয় মিটিয়েও উদ্বৃত্ত ৫১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৫শ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের একটি অনন্য নজির স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শহীদুল ইসলাম সোহাগ।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন কর্মসূচীর উদ্যোগ গ্রহণ করে সরকার। ধারাবাহিকতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে উপজেলার ১১নং রাধাকানাই ইউনিয়নের দবরদস্তা মলঙ্গি খাল ১০ কিলোমিটার পুন:খনন শুরু হয় চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল। কাজের বরাদ্দ ধরা হয়েছিল ২ কোটি ৫৭ লাখ ৫২ হাজার ৭৭৫ টাকা। প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজ শেষে উদ্বৃত্ত হয় ৫১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৫শ টাকা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটির সার্বিক তদারকি করেন। কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে তিনি নিয়মিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি শ্রমিকদের মজুরি ও অন্যান্য অর্থ পরিশোধও সরকারি বিধি অনুযায়ী সম্পন্ন করা হয়। তদারকি ও প্রশাসনিক কঠোরতার কারণে প্রকল্পটি নির্ধারিত মান বজায় রেখে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। এতে সরকারি অর্থের সাশ্রয় নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি অব্যয়িত অর্থও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া গেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইদুল হক জানান, আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজটি শেষ করতে পেরেছি। কৃষক সহ সব ধরনের মানুষ এ খালের সুবিধা ভোগ করবে। খালটি পুন: খননের ফলে দুই তীরের শত শত হেক্টর ফসলি জমি সরাসরি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাব দূর হবে এবং বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শহীদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, বর্ষাকাল হওয়ায় খালে অতিরিক্ত পানি থাকায় শুধু ভেকু দিয়ে খালের খনন কাজ করা হয়েছে এবং শ্রমিক দিয়ে খালের পাড় সমান করা হয়েছে। ফলে শ্রমিকের পরিমাণ কম লেগেছে। এর ফলে সরকারি অর্থ সাশ্রয় হয়েছে। নিবিড় পরিবীক্ষণ চলমান থাকায় ও সরকারি অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব হয়েছে। সরকারি অর্থ জনগণের সম্পদ। তাই নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে অর্থ ফেরৎ দেওয়া হয়।

সর্বশেষ

আরও খবর >

- Advertisement -Newspaper WordPress Theme