back to top

[the_ad id="407"]

ফুলবাড়িয়ায় শহীদ স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও মজর আলী আকন্দ দাখিল মাদ্রাসার পাস করেনি কেউ!

নিজস্ব প্রতিবেদক

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৯ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুইটি শহীদ স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও মজর আলী আকন্দ দাখিল মাদ্রাসা। সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা যায়। এনিয়ে অভিভাবক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে ভালুকজান মডেল বালিকা একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে পাস করে বিদ্যালয়টি শতভাগ পাসের খাতায় নাম উঠিয়েছে। ১২২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এস,এস, সি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে।

উপজেলার কুশমাইল ইউনিয়নের বরুকা গ্রামে শহীদ স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক শাখা থেকে চলতি বছর ৮ জন শিক্ষার্থী এস,এস,সি ও বাকতা শ্রীপুর গ্রামের মজর আলী আকন্দ দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন দাখিল পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১ জন অংশগ্রহণ করে সবাই ফেল করেছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানাগেছে, চলতি বছর উপজেলার ৭০ টি বিদ্যালয় থেকে ৪ হাজার ২৭ জন শিক্ষার্থী এস,এস,সি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ২ হাজার ৮ জন কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫৪ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৪৬.৯৪ শতাংশ। ৫২ টি মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় ১ হাজার ৩৩২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫০৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ জন। পাসের হার ৩৮.২১ শতাংশ। এস,এস,সি (ভোক) ১২২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৬.৫৬ শতাংশ।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধিনে ১০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হলেও ৪ টি প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। জানাগেছে, শহীদ স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। শিক্ষক রয়েছে ৭ জন। নন এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে কাগজপত্রে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩২ জন। গত বছর ১২ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৬ জন উত্তীর্ন হয়েছিল। চলতি বছর ৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে সবাই অকৃতকার্য হয়।
শহীদ স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন জানান, শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতো না, অভিভাবক সমাবেশ করেও অভিভাবকদের সাড়া পাইনি। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের মোবাইল আসক্তির কারণে ফলাফলের এ বিপর্যয় ঘটেছে। তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের দায়ভার রয়েছে, শিক্ষকদের বেতন দিতে না পারায় তাদেরকেও চাপ প্রয়োগ করতে পারেনি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ভুঞা’র বলেন, প্রতিষ্ঠান গুলোতে শিক্ষার্থী দেখিয়ে পরীক্ষা দেওয়ায়। দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোন শিক্ষার্থী পাস করেনি। এ বিষয়ে খতিয়ে দেখবো।

 

সর্বশেষ

আরও খবর >

- Advertisement -Newspaper WordPress Theme