back to top

[the_ad id="407"]

রাঙামাটিতে ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা

রাঙামাটি প্রতিনিধি

রাঙামাটিতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) এক কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। রোববার (১৬ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়নের খামার পাড়ার তৈ মেদুং পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম নির্মল খীসা (৩২)। তিনি রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলার নানিয়ারচর ইউনিয়নের তৈ-চাকমা গ্রামের সুনীল বিহারী খীসার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়নের তৈ মেদুং গ্রাম থেকে তিন ইউপিডিএফ কর্মী খামার পাড়ার দিকে যাচ্ছিলেন। সাড়ে ৯টার দিকে খামার পাড়ার তৈ মেদুং পাহাড়ে পৌঁছালে ওত পেতে থাকা ছয় থেকে সাতজনের সশস্ত্র দুর্বৃত্ত তাদের লক্ষ্য করে গুলি করে। এ সময় অন্য দুজন পালিয়ে যায়।

এদিকে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্তু লারমার নেতৃৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে (জেএসএস) দায়ী করেছে ইউপিডিএফ। তবে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের ঘটনায় জেএসএসের কোনো বক্তব্য জানা যায়নি।

হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইউপিডিএফের রাঙামাটি জেলা সংগঠক সচল চাকমা বলেন, আজ (রোববার) সকাল ৯টার সময় রাঙামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খামার পাড়ায় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা জেএসএস সন্তু গ্রুপের ৬/৭ জনের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী ইউপিডিএফ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এতে সন্ত্রাসীরা গুলি করে ইউপিডিএফ সদস্য নির্মল খীসাকে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর সন্ত্রাসীরা কাটাছড়ি স্বর্গপুর বনভাবনা কেন্দ্রের দিকে চলে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।”

সচল চাকমা আরও বলেন, “চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতন হলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শেখ হাসিনার দোসর সন্তু লারমার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। রাষ্ট্রীয় বিশেষ মহল এখনো সন্তু লারমাকে মদদ দিয়ে খুন-খারাবি চালিয়ে যাচ্ছে। আজকে খামার পাড়ায় ইউপিডিএফ সদস্যকে হত্যার ঘটনাও তারই অংশ।”

বিবৃতিতে ইউপিডিএফ নেতা সচল চাকমা অবিলম্বে নির্মল খীসার হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান।

সর্বশেষ

আরও খবর >

- Advertisement -Newspaper WordPress Theme