গৃহবধু শারমিন আক্তার হত্যার প্রধান আসামীসহ দুইজন কে গ্রেফতার করেছে বায়েজিদ থানা পুলিশ।
গতকাল ৮অক্টোবর (মঙ্গলবার), ভোর রাতে এবং সকাল বেলা বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন শান্তিনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামী শারমিন আক্তারের স্বামী মকবুল প্রঃ মঙ্গল (৩৮)সহ মামলার ঘটনায় জড়িত অপর আসামী শিউলি আক্তার (৩০) কে আটক করতে সক্ষম হয়।

অভিযানে উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) জনাব মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ মহোদয়ের দিক নির্দেশনায়, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব জাহাঙ্গীর আলম ও সহকারী পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের তত্বাবধানে, অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ আরিফুর রহমান এর নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই(নিঃ) জসীম উদ্দীন সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স সহ এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, ৬অক্টোবর মাগরিবের নামাজের পরে স্বামীর অত্যচার সহ্য করিতে না পারিয়া ভিকটিম স্বামীর বর্তমান ঠিকানার বাসা হইতে বাহির হইয়া যায়। পরবর্তীতে ৭অক্টোবর সকাল অনুমান ১১টার দিকে ভিকটিমের স্বামী আসামী মকবুল প্রঃ মঙ্গল বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন মোহাম্মদনগর ৫নং রোডস্থ মোহাম্মদ নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে পাকা রাস্তার উপর ভিকটিম শারমিন আক্তারকে পেয়ে তার সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জন আসামীর সহযোগীতায় ভিকটিমকে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি মারিতে থাকে। একপর্যায়ে ভিকটিমের পরিহিত ওড়না প্যাচিয়ে ভিকটিমকে টানা হেঁচড়া করিয়া উক্ত আসামীর মায়ের ভাড়াঘর তথা বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন শান্তিনগর ৫নং রোড ডাক্তার গুলশানআরা প্রঃ মিনুর ভাড়াঘরে নিয়ে যায়।পরেএকই তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার সময় বাদীর মেয়ে ভিকটিম শারমিন আক্তার মৃত্যু বরণ করেন।
এই বিষয়ে পুলিশ জানায়,ভিকটিমের লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করতঃ ময়না তদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় ও গোপন অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার ঘটনায় জড়িত অপরাপর পলাতক আসামীদের সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
