একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির চট্টগ্রামের চট্টগ্রাম জেলা কামিটির সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও জিপিও শ্রমিক লীগের নেত্রী কানিজ ফাতেমা লিমাকে রাস্তা থেকে ধরে থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নারী শিক্ষার্থীরা।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে কোতোয়ালি থানাধীন জিপিওর সামনে থেকে ওই নেত্রীকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।
৭১ এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির চট্টগ্রাম জেলা কামিটির সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও জিপিও শ্রমিক লীগের নেত্রী কানিজ ফাতেমা লিমাকে আটক করা হয়েছে।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম বলেন, কানিজ ফাতেমা লিমাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা আছে কিনা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেত্রীকে জিপিওর সামনে দেখতে পেয়ে ১০-১৫ জন নারী শিক্ষার্থী তাকে ঘিরে ফেলেন। এ সময় ওই নেত্রীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের তর্ক হয়। শিক্ষার্থীরা তাকে আওয়ামী লীগের দোসর বলে আখ্যায়িত করেন। ওই নেত্রীর সঙ্গে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের একাধিক মন্ত্রীর ছবি দেখায় শিক্ষার্থীরা। এরপর সেখান থেকে তাকে নিয়ে তিন মিনিটের হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত কোতোয়ালি থানার উদ্দেশে রওনা হন শিক্ষার্থীরা। যাওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা ‘আমার সোনার বাংলায় স্বেরাচারীদের ঠাঁই নাই’ বলে স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় আটক নেত্রী মোবাইল ফোনে কথা বলতে চাইলে শিক্ষার্থীরা ফোন কেড়ে নিয়ে রেখে দেন। একপর্যায়ে ওই নেত্রী সড়কের ওপর কয়েক সেকেন্ডের জন্য বসে পড়েন। পরে শিক্ষার্থীরা সেখান তাকে তুলে থানায় নিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।
বর্তমানে কানিজ ফাতেমা লিমা থানায় আটক রয়েছেন।
