back to top

[the_ad id="407"]

১৩ নভেম্বরকে কেন্দ্র করে ঢাকা ও আশেপাশের এলাকায় ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

ডেস্ক রিপোর্ট:

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির রায়ের তারিখ বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ঘোষণা করা হবে। এই রায়কে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ রাজধানী ঢাকায় ‘লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করায় সারাদেশে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে রাজধানীজুড়ে শুরু হয়েছে সাঁড়াশি অভিযান, বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম।

বুধবার সকাল থেকেই রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে এমন স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে এয়ারপোর্ট, আব্দুল্লাহপুর, ধানমণ্ডি ৩২, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, কাকরাইল ও হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে, ঢাকার প্রবেশপথ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালাচ্ছে এবং কাগজপত্র যাচাই করছে।

বিজিবির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারের ‘লকডাউন’ কর্মসূচি ঘিরে কোনো ধরনের নাশকতা রোধে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। কেউ নাশকতা করার চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেছেন।

নাশকতার আশঙ্কায় ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার রাতভর অভিযান চালিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও ডিএমপির আটটি অপরাধ বিভাগ।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতের অভিযানে আওয়ামী লীগের ৪৪ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডিএমপির অন্য ইউনিটগুলোও আরও কয়েকজনকে আটক করেছে।

মঙ্গলবার রাতেই বঙ্গবন্ধু অ্যাভেনিউ, ফকিরাপুল, কাকরাইল, এলিফ্যান্ট রোডসহ বিভিন্ন এলাকার আবাসিক হোটেলগুলোতে অভিযান চালানো হয়। হোটেলে থাকা অতিথিদের জাতীয় পরিচয়পত্র, পেশা যাচাই এবং ঢাকায় আসার কারণ জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। কেউ আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা যাচাই করতে অনেক সময় মোবাইল ফোনও তল্লাশি করা হয়।

রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই তারা হোটেল ও মেসে অভিযান চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, “গতরাতে কলাবাগানের একটি মেস থেকে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যারা নাশকতার পরিকল্পনায় ঢাকায় এসেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।”

পুলিশ আরও জানায়, সন্দেহভাজন কাউকে আটক করার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্য যাচাই করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আটককৃতদের বিরুদ্ধে পুলিশের সিডিএমএস ডাটাবেজে পূর্বের মামলা বা অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেছে।

সর্বশেষ

আরও খবর >

- Advertisement -Newspaper WordPress Theme