বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের খবরে রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় দেখা গেছে এক ব্যতিক্রমধর্মী রাজনৈতিক আবহ।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন চায়ের দোকান, মুদি দোকান ও আড্ডাস্থলে টেলিভিশনের সামনে জড়ো হন বিএনপির নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ। দোকানগুলোর ভেতরে বসানো টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রেখে উৎফুল্লভাবে খবর দেখেন তারা। কেউ নীরবে, কেউ আবার আবেগাপ্লুত কণ্ঠে মন্তব্য করেন, দীর্ঘদিন পর দেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অনেকে।
স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, সকাল থেকেই ক্রেতার চেয়ে দর্শক বেশি ছিল। অনেকে চা কিংবা নাস্তা অর্ডার দিয়ে দীর্ঘ সময় বসে টেলিভিশনের সংবাদ দেখেছেন। এতে দোকানগুলো যেন পরিণত হয় অস্থায়ী রাজনৈতিক আড্ডায়।
লংগদু উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক বিপ্লব ইসলাম বলেন,আগামীর বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা দেশ নায়ক, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন আমাদের জন্য শুধু রাজনৈতিক ঘটনা নয়, এটি আন্দোলন-সংগ্রামের প্রেরণা। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে দোকানে দোকানে জড়ো হয়েছে,এটাই প্রমাণ করে জনগণের আগ্রহ কতটা গভীর।
এদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল ও আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, রাজনীতি করি না, কিন্তু বড় ঘটনা হলে জানার আগ্রহ সবারই থাকে। তাই টেলিভিশনের সামনে বসে দেখছি।
সামগ্রিকভাবে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের খবরে লংগদু উপজেলায় সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর ও আলোচনাপূর্ণ পরিবেশ, যা জাতীয় রাজনীতির প্রভাব যে তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছেছে তারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
