পাম ফল থেকে তেল তৈরির সনাতন কিংবা কৃত্রিম পদ্ধতি কোনটাই জানেননা খাগড়াছড়ি জেলার পাম চাষীরা। ফলে ব্যবহার সুবিধা বঞ্চিত পাম চাষীরা।
এছাড়াও স্থানীয় অনান্য ফসলে মত পাম ফল বাজারে বিক্রি করা যায় না। আবার কোন কোম্পানিও এগিয়ে আসে না। তাই পশু পাখির খাবারে পরিণত হয়েছে পাম ফল। কথিত আছে এক বছরে একটি পরিবারের জন্য ৩টি পাম সয়াবিন তেলের যোগান দিয়ে থাকে। ফলে বাজার থেকে সয়াবিন তেল কিনতে হবে না।
এমন অনেক সুফলের আশা নিয়ে আজ থেকে ১৫ থেকে ১৬ বছর পূর্বে অনেকেই শতশত
পাম গাছে চারা রোপন করে ছিলো। কিন্তু তেলের উৎপাদন পদ্ধতি না জানায় এখন খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা হাজার হাজার পাম গাছ কেটে ফেলছে।
সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও চাষীদেরকে পাম ফল থেকে তেল তৈরি প্রশিক্ষণ প্রদান করলে তেল উৎপাদন করে এক দিকে যেমন পরিবারের তেলে চাহিদা মিটবে অপর দিকে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন সম্ভব।
