খাগড়াছড়িতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে এবং দায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জেলা ব্যাপী আধাবেলা সড়ক অবরোধ পালন করছে জুম্ম ছাত্র-জনতা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে ইউপিডিএফ সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদসহ আরও তিনটি সংগঠন সংহতি জানিয়ে মাঠে নামে।
অবরোধের শুরুতেই শহরের চেঙ্গী ব্রিজ, স্টেডিয়াম এলাকাসহ সকল উপজেলায় অবরোধের সমর্থনে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। কোথাও কোথাও গাড়ি লক্ষ্য করে গুলতি নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। এতে সড়কে আতঙ্ক তৈরি হয় এবং যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
অবরোধের কারণে সকাল থেকেই দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ ছিল। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পাশাপাশি বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক হাটবার হলেও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম। ব্যবসায়ীরা জানান, সড়ক অবরোধের কারণে বেচাকেনা প্রায় অচল হয়ে পড়ে।
তবে পৌর শহরের অভ্যন্তরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা যান চলাচল শুরু হয় এবং কর্মচাঞ্চল্য ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। সকাল থেকে যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল, দুপুরের দিকে তা কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসে।
খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। শহরে ঢোকা নৈশ কোচগুলো নিরাপত্তা পাহারার মধ্য দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। এদিকে ধর্ষণের অভিযোগে ইতি মধ্যেই একজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অবরোধ চলাকালে জেলার কোথাও কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
