ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নে বৈইলাজান গ্রামে একইমাঠে ১৯৯টি পশু কোরবানীর এবং ১৬৬০ টি খানায় পঞ্চায়াতরে বন্টন দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।
জানা যায়, বৈলাজান গ্রামের এ মাঠে প্রায় ২০০ বছর র্পূবে থেকে গ্রামবাসী একত্রে কোরবানী করে আসছে। ইদগাহ মাঠ ২টা মসজিদ ৭টি মসজদি নিয়ে গঠিতসমাজ থাকলেও এ গ্রামে কোরবানীর মাঠ একটি । কোরবানী ঈদ আসলেই এ গ্রামে শুরু হয় এক অন্য রকম উৎসব । গরীব ধনী সকলরে মাঝে সৃষ্টি হয় এক ভ্রাতৃতরে বন্ধন । ভিন্ন মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করলেও কোরবানীর পশু নিয়ে চলে আসে কোরবানীর মাঠে এবং কোরবানীর পশু জবাই করার পর ব্যস্ত হয়ে পরে নিজ নিজ পশুর মাংস তৈরীর কাজে । কোরবানীকৃত পশুর মাংস তিন ভাগ করে এক ভাগ মাংস যেখানে জমা দিতে হয় তাকে বলে হয় পঞ্চায়তে । পঞ্চায়েতের লোকজন তা গ্রামের ১৬৬০টি খানায় সমান হারে বন্টন করে প্রতি ঘরে ঘরে পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে । সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি ছোট থেকেই দেখে আসছি এ কোরবানীর মাঠ , আমার দাদারাও এ মাঠে কোরবানী করতো , তখন এত কোরবানী হতো না । সাংবাদিক হাফিজুল ইসলাম স্বপন বলেন, আমরা যারা এলাকার বাহিরে থাকি তারা সকলইে এই দিনটার জন্য অপেক্ষায় থাকি এবং অন্যকে আনন্দভরে এই দিনটি উপভোগ করি আমাদের মত এত বড় কোরবানীর মাঠ দেশে আরো কোথায় আছে কিনা আমার জানা নেই । আমার বাপ-দাদার আমল থেকে এই বন্টন করে আসতেছে। এখন আমরা করতেছি। গত বছররে চেয়ে এ বছর কোরবানী কম হয়েেছ । ৮২টি গরু ও ১১৭টি খাসী, এ মাঠের রয়েছে নানা সমস্যা আবজনা পরিস্কারের তেমন কোন ব্যবস্থা নেই।
