back to top

[the_ad id="407"]

ফুলবাড়িয়ায় শখের ৩৫ মণের ‘সাদাময়না’কে নিয়ে বিপাকে মালিক স্বপন

হাবিব,ফুলবাড়িয়া

পবিত্র ঈদুল আযহার বাকী আছে আর ২ দিন। জমে উঠতে শুরু করেছে গরুর হাট। ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে মুখর চারদিক। দেখা মিলেছে বিশাল আকৃতির এক ষাঁড় গরুর। নাম তার ‘সাদাময়না’। সাদা কালো রঙের ফ্রিজিয়ান জাতের এই বিশালদেহী ষাঁড়টি এখন এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বর্তমানে ষাঁড়টির ওজন প্রায় ৩৫ মণ। লম্বায় প্রায় সাড়ে ৯ ফুট, উচ্চতা সাড়ে ৫ ফুট এবং শরীরের পরিধি প্রায় ৮ ফুটের বেশি। গায়ের সাদা-কালো মিশ্র রঙের কারণে পরিবারের সদস্যরাই আদর করে নাম রেখেছেন ‘সাদাময়না’। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করছেন গরুটি এক নজর দেখতে। স্থানীয়দের কাছে এটি যেন এক অঘোষিত সেলিব্রিটিতে পরিণত হয়েছে। ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার কুশমাইল ইউনিয়নের চকরাধাকানাই গ্রামে ডাক্তার মোঃ নুরুল কাইয়ুম স্বপন গরুটির মালিক । পেশায় হোমিও চিকিৎসক হলেও পশু লালনের প্রতি রয়েছে তার আলাদা ভালোবাসা। প্রায় পাঁচ বছর ধরে নিজের সন্তানের মতো যতেœ লালন পালন করেছেন ‘সাদাময়না’কে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উৎসুক মানুষ ভিড় করছেন ‘সাদাময়না’কে দেখতে। অনেকে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন। এলাকাবাসীর ভাষায়, ঈদের আগেই ‘সাদাময়না’ যেন এক অন্যরকম উৎসবের নাম হলে ‘সাদাময়না’কে নিয়ে বিপাকে পড়েছেন গরুর মালিক ডাক্তার মোঃ নুরুল ইসলাম স্বপন।

স্বপনের ছেলে ঈমাম মেহেদী বলেন, সাদাময়না শুধু একটি গরু নয়, আমাদের পরিবারের একজন সদস্য। ছোটবেলা থেকেই আমরা তাকে অনেক যতেœ রেখেছি। নিয়মিত খাওয়ানো, গোসল করানো, হাঁটানো ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ নজর রাখা হয়। গরমের সময় গোয়ালঘরে ২৪ ঘণ্টা সিলিং ফ্যান চালু রাখা হয়।
স্বপন মিয়া বলেন, এটা শুধু একটা ষাঁড় নয়, আমার শ্রম, ভালোবাসা আর বিশ্বাসের ফল। আশা করছি এবার কেউ আমার এই পরিশ্রমের যথাযথ মূল্য দেবেন। যে ক্রেতা গরুটি কিনবেন, জেলার যেকোনো স্থানে নিজ খরচে পৌঁছে দেবেন তিনি।
সাদাময়না মালিক ডাক্তার মোঃ নুরুল কাইয়ুম স্বপন জানান, জন্মের পর থেকেই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে গরুটিকে বড় করা হয়েছে। কোনো ধরনের মোটাতাজাকরণ ওষুধ, ইনজেকশন বা কৃত্রিম খাদ্য ব্যবহার করা হয়নি। প্রতিদিন দুইবার গোসল করানো হয়। খাবার হিসেবে দেওয়া হয় প্রায় ১০ কেজি গুড়াভূষি, ৫ কেজি খড় ও ৫ কেজি কচি ঘাস। গরুটির পেছনে প্রতি মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হয়।
গত কোরবানির ঈদে ‘সাদাময়না’র দাম উঠেছিল প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা। প্রত্যাশা অনুসারে মূল্য না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বলে জানান ।

সর্বশেষ

আরও খবর >

- Advertisement -Newspaper WordPress Theme