“হৃদয় কেমন আছো! আমাকে একটা চাকুরির ব্যবস্থা করে দিবে?”
৩ বছর পর হঠাৎ নীলার কল অপরিচিত নাম্বার থেকে, আমার চারপাশ থমকে গেলো, এমন প্রশ্নের জন্য আমি মোঠেও প্রস্তত ছিলাম না।
যে কিনা আমাকে এতো ভালোবেসেও শুধু আমার একটা চাকুরী ছিলো না বলে এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করে নিয়েছিলো আজ সেই নীলার কল।
নীলা: হৃদয় কেমন আছো?
আমি: উম্মম্মম হ্যা ভালো, কে? (খুব পরিচিত মানুষ থেকে এমন প্রশ্নে বুঝে নিয়েছিলাম সে ভালো নেই,ভালো থাকলে হয়তো আমি কেমন আছি জানতে চাইতো না)
নীলা: নীলা….ভুলে গেলে আমাকে? ভুলে যাওয়ারই কথা, কি অন্যায় টা না করেছিলাম তোমার সাথে।
আমি: কোন নীলা! প্লিজ পরিচয় দিবেন?
নীলা: আমি তোমার সেই নীলা, যাকে ছাড়া তোমার… আচ্ছা যাই হোক, আমার ডিভোর্স হয়েছে বেশকিছু দিন হলো, আমাকে একটা চাকুরির ব্যবস্থা করে দিবে? অনলাইনে তোমাকে ফলো করি, এখন তো তুমি প্রতিষ্ঠিত, সবার কাছে পরিচিত মুখ, তোমার নিজের বিজিনেস, অফিস রয়েছে। সেখানে হোক বা অন্যকোথাও কোন একটা ছোট চাকুরী হলেও আমাকে ব্যবস্থা করে দাও।
৩ বছর আগে এর চেয়েও করুন স্বরে আমি বলেছিলাম ” নীলা আমার সাথে থেকে যাও,আমরা দুজন খুব ভালো থাকবো”, সেদিন তুমি ফিরিয়ে দিতে পারলেও আমি তোমাকে ফেরাতে পারিনি। বন্ধুর এক অফিসে ভালো বেতনের চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছি, শুধু শর্ত ছিলো আমার সাথে কখনো যোগাযোগ না করার শর্ত।
লেখক-রিদুয়ান হৃদয়
তাং-৯ফেব্রুয়ারি-২০২৪ইং
