back to top

[the_ad id="407"]

৩য় লিডার্স তারুণ্য উৎসবে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী পুরস্কৃত

এম ওসমান গনি,হাটহাজারী:

চট্টগ্রাম বায়েজিদ থানাধীন বালুছড়া এলাকায়

লিডার্স শিক্ষা মডেল-২০১৮ এর আলোকে পরিচালিত ‘ভালো মানুষ গড়ে তোলা’র প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠিত লিডার্স স্কুল এন্ড কলেজ চট্টগ্রাম কতৃক আয়োজিত ৩য় লিডার্স তারুণ্য উৎসব এর প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার ১ নভেম্বর উৎসবে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের এ্যাসেম্বলির মাধ্যমে ‘লিডার্স তারুণ্য উৎসব-২০২৪’এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন লিডার্স স্কুল এন্ড কলেজ চট্টগ্রামের অধ্যক্ষ কর্নেল আবু নাসের মোঃ তোহা। শুক্রবার ও শনিবার দুই দিন প্রতিযোগিতা শেষে শনিবার বিকাল ৩ টায় প্রতিষ্ঠানটির অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সমাপনি অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও গবেষক, চট্টগ্রাম ইনডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীর মো. নুরুল আবসার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, তারুণ্য উৎসবের বর্ণাঢ্য আয়োজন ও লিডার্স শিক্ষা মডেল-২০১৮ চমৎকার একটা উদ্যোগ। এ শিক্ষা মডেল ও প্রতিষ্ঠান থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। নতুন প্রজন্মকে দক্ষ ও সু-নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ প্রতিষ্ঠান এবং এই শিক্ষা মডেল যে ভূমিকা রাখছে প্রতিটা প্রতিষ্ঠান এখান থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।
প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ কর্নেল আবু নাসের মো: তোহা জানান, লিডার্স শিক্ষা মডেল-২০১৮ এর তিনটি মূল উপাদান জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিকতাকে সামনে রেখে তার লক্ষ্য অর্জনের ক্লান্তিহীন এই অবিরাম প্রচেষ্টাকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে ২০২২ সাল থেকে শুরু হয় লিডার্স তারুণ্য উৎসব। তারই ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত হয় ৩য় “লিডার্স তারুণ্য উৎসব-২০২৪”। ‘মানবতার পাঠ্যক্রম’ এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে। ‘‘দেশের যেকোনো শিক্ষার্থীকে তার বয়স উপযোগী শিক্ষাভিত্তিক, সাংস্কৃতিক, খেলাধুলা, ধমীর্য়, বিজ্ঞানভিত্তিক ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক বিভিন্ন ধরণের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে জানার আগ্রহ সৃষ্টি করা এবং আত্মবিশ্বাস ও পারস্পরিক সম্পর্ক সৃষ্টি করে সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা-এই লক্ষ্যকে বাস্তবায়নের অভিপ্রায়ে লিডার্স স্কুল এন্ড কলেজ চট্টগ্রামের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হয় এই তারুণ্য উসৎব।
এবারের উৎসবে চট্টগ্রাম শহর ও শহরের বাহির থেকে মোট ৫০ টি স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রচনা, কুইজ, চিত্রাংকণ, আবৃত্তি, উপস্থিত বক্তৃতা, প্রোগ্রামিং, কোরআন তেলাওয়াত, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, দাবা, ব্যাডমিন্টন, আইডিয়া জেনারেশনসহ মোট ১৫টি ইভেন্টে প্রায় ১২০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এবং দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হয়।

সর্বশেষ

আরও খবর >

- Advertisement -Newspaper WordPress Theme