back to top

[the_ad id="407"]

চসিক কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর সামনে সাংবাদিককে হুমকি

ডেস্ক রিপোর্ট:

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন যেই মুহুর্তে চট্টগ্রাম নগরীকে একটি পরিচ্ছন্ন শহর,গ্রিন,ক্লিন, হেলদি ও সেইফ গড়ার উদ্যোগ নিচ্ছেন,ডোর টু ডোর সার্ভিস এর মাধ্যমে নগরীর বর্জ্যঅপসারণের ব্যবস্থা নিয়েছেন,সেই মুহূর্তে নগরীর কিছু এলাকায় মহল্লা কমিটির নেতা পরিচয়ে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করছে।

চট্টগ্রাম নগরীর ১৭ নং ওয়ার্ড পশ্চিম বাকলিয়া রসুলবাগ আবাসিক খালপাড় বায়তুল মামুর জামে মসজিদ,কবর স্থান ও আবাসিক বাসা- বাড়ির সামনের অস্বাস্থ্যকর, দুর্গন্ধময় ময়লার ডাস্টবিন ও কুকুরের উৎপাতের বিষয়ে একাধিক বার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে আনার কারণে হুমকি ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের শিকার হন দৈনিক আজকের বাংলা’র চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো চীফ ইসমাইল ইমন।

আবাসিক বাসা বাড়ি, মসজিদ ও কবরস্থানের সামনে চলাচলের রাস্তায় ময়লার ডাস্টবিনের কারনে এলাকার পরিবেশ দুষিত ও অস্বাস্থ্যকর, দুর্গন্ধময় পরিবেশে এলাকার মুসল্লি ও শিক্ষার্থীদের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এই বিষয়ে চসিক মেয়র ও প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তার নজরে আনলে মেয়র এলাকা পরিদর্শন শেষে,চসিক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সার্ভে রিপোর্ট অনুযায়ী,ক্লিন, গ্রীন হেলদি ও সেইফ সিটি বাস্তবায়নে এলাকার পরিবেশ ও বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় অতি দ্রুত ডাস্টবিন সরানোর নির্দেশনা প্রদান করেন।

মেয়র ও চসিক প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তার নির্দেশনা অমান্য করে আবারো উক্ত স্থানে ময়লা ফেলায় বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দারা চসিক কতৃপক্ষের নজরে আনেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৬ নভেম্বর রবিবার
চসিক পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মৌমিতা দাশ, নগর বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক, ড্যাব মহাসচিব ডা:সরোয়ার আলম ও মেয়রের একান্ত সচিব মারুফুল হক চৌধুরী এলাকা পরিদর্শনে আসলে এই বিষয়ে ভিডিও ধারন করলে দৈনিক আজকের বাংলার চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো চীফ ইসমাইল ইমননে ওপর চড়াও হয়ে হুমকি দিয়ে অকথ্য ভাষায় ব্যবহার করে রসুলবাগ সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আসাদ উল্লাহ, এমনকি উপস্থিত চসিক কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেট এর সাথেও অশোভন আচরণ করেন।

বাকলিয়া থানা সূত্রে জানাযায় আসাদ উল্লাহর বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানায় অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার মামলা রয়েছে, মামলা নং ৪৩.১০.১৯।

এই বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে ছড়িয়ে পরলে ক্ষোভের সৃষ্টি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সুত্রে জানাযায়‌, রবিবার চসিক কতৃপক্ষ ও ম্যাজিস্ট্রেট ঐ স্থানে ময়লা আবর্জনা না পেলার নির্দেশনা দিয়ে আসার পরেও, নির্দেশনা অমান্য করে পুনরায় সোমবার মহল্লা কমিটির নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা উক্ত স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেলে।
হুমকির বিষয়ে জানতে চায়লে সাংবাদিক ইসমাইল ইমন জানান,এই রকম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বিষয়ে কথা বলতে গেলে যদি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সামনেই হুমকির শিকার হতে হয়,তা গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতার জন্য অশনিসংকেত। আমি সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের পরামর্শ ক্রমে ঐ ব্যাক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনী পদক্ষেপে যাবো।

সর্বশেষ

আরও খবর >

- Advertisement -Newspaper WordPress Theme